Breaking News
Home / Top News / আরসা ঘোষণা দিয়েছে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার

আরসা ঘোষণা দিয়েছে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার

লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দ্য আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে। আজ রোববার টুইটারে এ ঘোষণা দিয়েছে আরসা। গোষ্ঠীটি একই সঙ্গে গত শুক্রবার রাখাইনে একটি সামরিক ট্রাকের ওপর চালানো হামলার দায়ও স্বীকার করেছে ।

এ কথা জানানো হয়েছে বিবিসির খবরে। আরসার চালানো কথিত হামলার কারণে গত বছর রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল।মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশ পালিয়ে এসেছে ওই সময় থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা।মিয়ানমারের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, রাখাইনে গত শুক্রবার ২০ জন ‘চরমপন্থী বাঙালি সন্ত্রাসী’ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একটি সাঁজোয়া যানের ওপর হামলা চালায়। ওই যানে এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তিন ব্যক্তি আহত হয় ওই হামলায়।

আরসার নেতা আতা উল্লাহ রোববার টুইটারে বিবৃতি দিয়েছেন । তিনি ওই বিবৃতিতে শুক্রবারের হামলায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। টুইটে তিনি আরও লিখেছেন, ‘রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আত্মরক্ষা ও রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে রক্ষা করার জন্য মিয়ানমারের সরকারের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।’ একই সঙ্গে বিবৃতিতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষের ‘মানবিক সহায়তা ও রাজনৈতিক ভবিষ্যতের’ জন্য আলোচনা শুরুর আহ্বান জানানো হয়।মিয়ানমারের সরকারের দাবি, আরসা সন্ত্রাসবাদী সংগঠন। তবে আরসা বলছে, সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করছে তাঁরা্ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের জন্য।

জোনাথন হেড বিবিসির বিশ্লেষক বলেছেন, হামলা চালানোর কথা আরসা স্বীকার করায় এখন মিয়ানমারের সরকার আরও কঠোর অবস্থানে চলে যেতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, এই দায় স্বীকারের পর রাখাইন রাজ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা ও গণমাধ্যমের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখার বিষয়ে অনড় অবস্থানে থাকবে সরকার। অন্যদিকে সরকারি বাহিনীর ওপর বাড়তে পারে সন্ত্রাসী হামলা।বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের রাখাইন রাজ্যে আরসা কার্যক্রম চালাচ্ছে। মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে রাখাইনে বসবাসকারী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ রয়েছে। গত বছরের আগস্ট মাস থেকে এই নিপীড়ন ব্যাপক আকার নেয়। ওই সময় থেকেই সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে শুরু করেছে রোহিঙ্গারা। জাতিসংঘ একে ‘জাতিগত নির্মূলের প্রকৃষ্ট উদাহরণ’ বলে অভিহিত করেছে। মিয়ানমারের সরকার অনেক আগে থেকেই রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিতে অস্বীকার করে আসছে এবং তাদের অভিহিত করছে বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অভিবাসী বলে।

About protidin khabor