গাইবান্ধার প্রবীণ কমিউনিস্ট নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা একরাম হোসেন বাদলের জীবনাবসান হয়েছে। তিনি সোমবার ভোরে রংপুরের পার্কের মোড়ের বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তিনি দীর্ঘদিন কিডনি রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তিনি এক ছেলে, দুই মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
একরাম হোসেন বাদলকে প্রথমে গাইবান্ধার পলাশবাড়ির বাসায় নিয়ে আসা হয়। সেখানে শহীদ মিনারে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সমাজের বিভিন্নস্তরের বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। পরে সাদুল্যাপুরের ঢোলভাঙ্গায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাঁকে গ্রামের বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।
বর্ণঢ্য জীবনের অধিকারী একরাম হোসেন বাদল ৬০ দশকে প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন ছাত্র ইউনিয়নে যোগদান করেন। এরপর তিনি কমিউনিস্ট পার্টির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি জীবনের শেষদিন পর্যন্ত বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি কৃষক ও ক্ষেতমজুর সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও কমিউনিস্ট পার্টি পলাশবাড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি ছিলেন। তিনি আজীবন বিভিন্ন সামাজিক ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন।