• ৩৬ জন সাগর থেকে আটকের পর বন্দী ছিলেন
• ১৩৮ জন ফিরছেন স্বেচ্ছায়
• অসুস্থ ৪১ জন
লিবিয়া থেকে আরও ১৭৪ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় মানবিক সহায়তায় তাঁদের প্রত্যাবাসন করা হচ্ছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাতটায় বুরাক এয়ারের ইউজেড–২২২ ফ্লাইটে তাঁদের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ৩৬ জন সাগর থেকে আটকের পর ত্রিপলির তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দী ছিলেন। বাকি ১৩৮ জন লিবিয়ার ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরছেন। তাঁদের মধ্যে ৪১ জন শারীরিকভাবে অসুস্থ।
লিবিয়ায় বাংলাদেশের দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে ফেরার আগে লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ দূতাবাস প্রাঙ্গণে প্রত্যাবাসনপ্রত্যাশীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) ও প্রথম সচিব (শ্রম) উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত অনিয়মিত পথে বিদেশ যাওয়ার ঝুঁকি ও নেতিবাচক পরিণতি সম্পর্কে তাঁদের সচেতন করেন। তিনি বলেন, অনিয়মিত অভিবাসনের কারণে মানুষ শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হন। এর বিরূপ প্রভাব পড়ে তাঁদের পরিবার ও সমাজের ওপরও।
দেশে ফিরে নতুনভাবে জীবন শুরু করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিদেশ যেতে হলে বৈধ পথ অনুসরণের আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত। একই সঙ্গে অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখা এবং মানবপাচারকারী ও দালাল চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করার পরামর্শ দেন তিনি।
দূতাবাস জানায়, লিবিয়ায় আটক এবং স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে আগ্রহী বাংলাদেশিদের নিরাপদ ও মানবিক প্রত্যাবাসনে তারা কাজ করছে। এর ধারাবাহিকতায় আগামী ২৮ অক্টোবর মিসরাতা শহর থেকে আরও ১৭৫ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলছে।