
অভিযুক্ত নাঈম একই এলাকার মো. হেলালের ছেলে। তিনি এলাকার একটি নূরানী মাদ্রাসায় পড়ান। চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিশুর বড় বোনের অভিযোগ, চড়ুইভাতি খাওয়ার জন্য অন্য শিশুদের সঙ্গে লাকড়ি কুড়াতে বাড়ির পাশের পুকুর পাড়ে যায় তার বোন। এ সময় প্রতিবেশী নাঈম এসে তাদের ধমক দেয় ও কাছে ডেকে শারীরিক শাস্তি দেয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা অন্যদের দূরে সরিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে এবং কাউকে না জানানোর জন্য হুমকি দেয়।
পরে ছাড়া পেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে যায় শিশুটি। এ সময় রক্তক্ষরণ হতে দেখে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় তাকে চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
চরফ্যাশন ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাখলুকুর রহমান জানান, ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে নমুনা সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। শিশুটি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ‘ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কেউ অভিযোগ করেনি। ভুক্তভোগীর সঙ্গে আরেকটি শিশু ছিল এবং তাকে ছবি দেখানোর পর সে অভিযুক্ত নাঈমকে চিহ্নিত করেছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে আমরা ছায়া তদন্ত করছি এবং অভিযুক্তকে ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।’