
ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানা এলাকায় সংঘটিত ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। মামলা হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামতও উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কোতোয়ালি মডেল থানাধীন অষ্টধার ভিটাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. সুমন মিয়া (৩৫) কে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ইফতারের পর রাত সাড়ে নয়টা থেকে পরদিন সকাল দশটার মধ্যে যেকোনো সময় অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে হত্যা করে। পরবর্তীতে তার মরদেহ অষ্টধার সেনপাড়া এলাকার সাহেব বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণে রেললাইনের দক্ষিণ পাশে একটি ধানক্ষেতের সেচ নালার ওপর ফেলে রাখা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ভিকটিমের মামা মোঃ মাহিন হোসেন (৪৫) বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত প্রধান তিন আসামি মোঃ সজিব আলী (২০), নাজমুল ইসলাম (২৫), শিহাব মিয়া ওরফে শিপন (১৬) কে গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানায়, আসামি ও ভিকটিম মাদক ব্যাবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিল। প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন আগে মাদকের টাকা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সুমন মিয়ার সঙ্গে সজিব আলীর হাতাহাতি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পরিকল্পিতভাবে ঘটনার দিন মোবাইল ফোনে ডেকে ভিকটিমকে ঘটনাস্থলে এনে হত্যা করা হয়।
পুলিশ আরো জানায়, গ্রেফতারকৃত মোঃ সজিব আলী ও নাজমুল ইসলাম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন ক্লুলেস এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য দ্রুততম সময়ে উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতারে পুলিশ পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে।
মন্তব্য করুন