
বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
খন্দকার মুক্তাদির বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। সরকার গঠনের মাত্র ২১ দিনের মাথায় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই কর্মসূচি শুরু হওয়া প্রমাণ করে যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কতটা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি রেখেছি: এলজিআরডি মন্ত্রী
তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় গৃহবধূদের নামে কার্ড ইস্যু করা হবে এবং নির্দিষ্ট পরিমাণ আর্থিক সহায়তা তাদের কাছে সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হবে। উপকারভোগীরা বিকাশ বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে পরিবারিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে এবং নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়বে।
‘সংসারের প্রয়োজনীয় খরচ সম্পর্কে নারীরাই সবচেয়ে ভালোভাবে জানেন। তাই পরিবারের আর্থিক সহায়তা সরাসরি তাদের হাতে পৌঁছে দিলে তা পরিবার পরিচালনায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং সঞ্চয়ের সুযোগও বাড়বে।’
সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে সামনে রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে এবং বর্তমান মেয়াদের মধ্যেই এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে সিলেট বিভাগে সেচ সুবিধার অভাব এবং পানি নিষ্কাশন সমস্যার কারণে কৃষি উৎপাদন তুলনামূলকভাবে কম। এসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে এ অঞ্চলের জমি থেকেও অতিরিক্ত ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে বলে যোগ করেন তিনি।
এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রামীণ কৃষিজীবী পরিবারগুলো অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ পাবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া। স্থানীয় সংসদ সদস্য নাসির চৌধুরী, কলিম উদ্দিন আহমেদ , কয়সর আহমদ এবং কামরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির উপকারভোগীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন। কুলঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডে প্রাথমিকভাবে ৬৯৭ জন ফ্যামিলি কার্ডের তালিকাভুক্ত হয়। তবে আজ ৫১৭ জনের বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্টে ২৫০০ টাকা করে জমা হবে বলে জানায় সমাজ সেবা কার্যালয়।
মন্তব্য করুন