
বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে খুলনায় ৬০ জন অসচ্ছল নারীকে সেলাই মেশিন উপহার দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে খুলনা মহানগরের খালিশপুরে কলেজিয়েট গার্লস স্কুল মিলনায়তনে অসচ্ছল নারীদের হাতে সেলাইমেশিন তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারি হাজী মুহাম্মদ মুহসিন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ফারুক-ই-আযম। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান।
বক্তব্য দেন খুলনা আঞ্চলিক সংবাদপত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় দৈনিক খুলনাঞ্চল সম্পাদক মিজানুর রহমান মিলটন, খুলনা বিদ্যুৎকেন্দ্র জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা হাফেজ আবেদ আলী শরীফ, হাফেজ আবেদ আলী সরকার, শিক্ষক শাহিনা খাতুন, শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বিধবা, স্বামী পরিত্যক্ত ও অসচ্ছল নারীদের সচ্ছল করতে বিনামূল্যে সেলাই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করায় বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানকে ধন্যবাদ জানান।
সেলাই মেশিন পেয়ে মন্দিরা রায় পূজা বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘের এ আয়োজন আমার খুব ভালো লেগেছে। আমার তো মেশিন ছিল না।
আমি অন্যের মেশিন থেকে সেলাই শিখতে পেরেছি। তারা তো সব সময় আমাকে মেশিন ব্যবহার করতে দেবে না। বসুন্ধরার মেশিন পেয়ে আমি সাবলম্বী হতে পারব। পাশাপাশি আমার আশেপাশের নারীদেরও সাবলম্বী করতে পারব।
এ জন্য আমি বসুন্ধরাকে অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
চাঁদনী আক্তার নামে আরেক নারী বলেন, আমি যেহেতু একজন অস্বচ্ছল নারী। তাই আমি মেশিনটি পেয়ে অনেক আনন্দিত। এ জন্য বসুন্ধরা শুভসংঘকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। এখানে যত নারী আছে সবার পক্ষ থেকে বসুন্ধরার শুভ সংঘকে ধন্যবাদ জানাই।
এতগুলো মেশিন দেওয়া অনেক বড় উদ্যোগ। এ জন্য আমি বসুন্ধরার চেয়ারম্যানের প্রতি কৃতজ্ঞ।
তিনি বলেন, মেশিনটি পেয়ে আমি অনেক খুশি। এখন একটি কর্ম করে খেতে পারব।
অনুশ্রী গোলদার বলেন, বসুন্ধরার সেলাই মেশিন পেয়ে আমি খুবই খুশি। এটা দিয়ে কাজ করে আমি সাবলস্বী হতে পারব। কাজ করে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া শেখাতে পারব। আমার সংসারেও অনেক উপকার হবে।
মীনা আক্তার বলেন, আমার স্বামী দিনমজুর। এই সেলাই মেশিনটা পেয়ে আমার অনেক উপকার হয়েছে। এটা দিয়ে আমার স্বচ্ছলতা ফিরবে।
মন্তব্য করুন