শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা রিতাজকে মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় চট্টগ্রাম নগরীর ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের আইসিইউ থেকে তাকে কক্সবাজারে নেওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা রিতাজকে মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় চট্টগ্রাম নগরীর ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের আইসিইউ থেকে তাকে কক্সবাজারে নেওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে।
শনিবার সকাল থেকেই রিতাজ (১৩) ডিপ কোমায় চলে যায়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিকেল ৪টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারে আনা হয়। কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকদের নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রিতাজের মৃত্যুর বিষয়টি সাংবাদিক আনছার হোসেন নিজেই নিশ্চিত করেছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সাংবাদিক আনছার হোসেনের দুই ছেলে রয়েছে। এর মধ্যে ছোট ছেলে রিতাজ ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ছিল। দুই মাস আগে তার মায়ের মৃত্যু হলে তাকে চট্টগ্রামে খালার বাসায় পাঠানো হয়। সেখানে একটি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির প্রক্রিয়া চলছিল।
গত ২৫ ডিসেম্বর রিতাজ ঠান্ডাজনিত অসুস্থতায় ভোগে। পরদিন ২৬ ডিসেম্বর তাকে চট্টগ্রাম নগরীর ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা তার অবস্থার অবনতি দেখে আইসিইউতে স্থানান্তর করেন। তবে ২৭ ডিসেম্বর সকাল পর্যন্ত তার শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। শনিবার সকাল থেকে সে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে পৌঁছে ‘ডিপ কোমায়’ চলে যায়।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় রিতাজের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন