ঢাকা    মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
Protidinkhabor.com

বাড়ি ফিরছে বাবা-মেয়ের নিথর দেহ, হাসপাতালে মা-ছেলে


আবির হোসেন রাব্বি
আবির হোসেন রাব্বি
প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

বাড়ি ফিরছে বাবা-মেয়ের নিথর দেহ, হাসপাতালে মা-ছেলে

আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে নাটোরের বড়াইগ্রামে বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন ব্র্যাক ব্যাংকের মাগুরা শাখার জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক শহীদুল ইসলাম এবং তাঁর পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে তাছফিয়া খাতুন। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন শহীদুলের স্ত্রী রুবিনা বেগম ও ছেলে মো. লাবিব।

সোমবার বিকেলে ‘আরপি নাইস পরিবহন’-এর একটি বাসে করে তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন। পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের সুবিদখালী থেকে বাসে ওঠেন রুবিনা বেগম ও তার দুই সন্তান। পরবর্তীতে মাগুরা থেকে তাদের সঙ্গে যোগ দেন শহীদুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোরে বনপাড়া-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার সরদারপাড়া এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই একটি ট্রাকের সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় মোট ১৪ জনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে শহীদুল ও তার ছোট মেয়ে তাছফিয়াও ছিলেন।

নিহত তাছফিয়া স্থানীয় একটি নুরানি মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল। আহত লাবিব সুবিদখালী আইডিয়াল স্কুলের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। অন্যদিকে শহীদুলের স্ত্রী রুবিনা বেগম পূবালী ব্যাংকের সুবিদখালী শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন।

শহীদুলের ফুফাতো ভাই সুজন হাওলাদার জানান, নিহত বাবা ও মেয়ের মরদেহ পটুয়াখালীর সুবিদখালীর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যে বাড়িতে চারজনের একসঙ্গে হাসিমুখে পৌঁছানোর কথা ছিল, সেখানে এখন বাবা ও মেয়ের নিথর দেহ পৌঁছানোর অপেক্ষায় স্বজনেরা বুকফাটা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।

Protidinkhabor.com

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬


বাড়ি ফিরছে বাবা-মেয়ের নিথর দেহ, হাসপাতালে মা-ছেলে

প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে নাটোরের বড়াইগ্রামে বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন ব্র্যাক ব্যাংকের মাগুরা শাখার জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক শহীদুল ইসলাম এবং তাঁর পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে তাছফিয়া খাতুন। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন শহীদুলের স্ত্রী রুবিনা বেগম ও ছেলে মো. লাবিব।

সোমবার বিকেলে ‘আরপি নাইস পরিবহন’-এর একটি বাসে করে তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন। পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের সুবিদখালী থেকে বাসে ওঠেন রুবিনা বেগম ও তার দুই সন্তান। পরবর্তীতে মাগুরা থেকে তাদের সঙ্গে যোগ দেন শহীদুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোরে বনপাড়া-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার সরদারপাড়া এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই একটি ট্রাকের সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় মোট ১৪ জনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে শহীদুল ও তার ছোট মেয়ে তাছফিয়াও ছিলেন।

নিহত তাছফিয়া স্থানীয় একটি নুরানি মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল। আহত লাবিব সুবিদখালী আইডিয়াল স্কুলের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। অন্যদিকে শহীদুলের স্ত্রী রুবিনা বেগম পূবালী ব্যাংকের সুবিদখালী শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন।

শহীদুলের ফুফাতো ভাই সুজন হাওলাদার জানান, নিহত বাবা ও মেয়ের মরদেহ পটুয়াখালীর সুবিদখালীর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যে বাড়িতে চারজনের একসঙ্গে হাসিমুখে পৌঁছানোর কথা ছিল, সেখানে এখন বাবা ও মেয়ের নিথর দেহ পৌঁছানোর অপেক্ষায় স্বজনেরা বুকফাটা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।


Protidinkhabor.com

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আলী আজগর হাওলাদার
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আলী আজগর হাওলাদার