পিরোজপুরে মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মৃত্যুর পর গার্ড অব অনার প্রদানে ও মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে দলটির প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু ও নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল বলেন, একজন মানুষের মৃত্যুর পর তার মরদেহের সম্মানজনক দাফনে বাধা দেওয়া মানবিক মর্যাদার লঙ্ঘন। গভীর রাতে পরিবারের নারী সদস্যদের মোবাইল ফোনের আলোয় কবর খোঁড়ার পরিস্থিতি তৈরি হওয়া অত্যন্ত অমানবিক।
নেতারা বলেন, মানিক পশারী একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছিলেন বলে তার মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মামলার সাক্ষ্য দেওয়া এবং রাজনৈতিক বিরোধের কারণে একজন মানুষের শেষ বিদায়ের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তারা বলেন, স্থানীয় প্রশাসন দায়িত্বে থাকার পরেও এ ধরনের ঘটনা উদ্বেগজনক। এই ঘটনায় প্রশাসনের দায়িত্ব পালনে গাফিলতি ছিল কিনা, তা সরকারকে খতিয়ে দেখতে হবে ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা নিশ্চিতে সরকারকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।
নেতারা বলেন, মানিক পশারীর মরদেহের সম্মানজনক দাফন নিশ্চিত করা, তার পরিবারের নিরাপত্তা দেওয়া এবং দাফনে বাধা ও হুমকির অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। যেকোনও ধরনের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা ভয়ভীতি দেখানোর মতো ঘটনা প্রতিরোধে সরকার ও প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।