সরকার নিয়মিত তেল সরবরাহ বজায় রাখার চেষ্টা করছে এবং বাজারে বড় ধরনের সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল। এজন্য জ্বালানি তেলের বর্তমান পরিস্থিতিতে অপ্রয়োজনীয় মজুদ ও অতিরিক্ত ক্রয় থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) এক ভিডিও বার্তায় এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে জ্বালানি তেল আমদানি করছে এবং পাইপলাইনে পর্যাপ্ত তেল রয়েছে।
গত ১০ দিনে পেট্রল পাম্পগুলোতে ধারাবাহিকভাবে সরবরাহ অব্যাহত আছে। কিছু ক্ষেত্রে সরবরাহ কম হলেও সামগ্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’তিনি জানান, ঈদের মতো উচ্চ চাহিদার সময়েও কোথাও তেলের অভাবে যানবাহন বন্ধ হয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেনি। পাম্প মালিক ও কর্মচারীদের নিরবচ্ছিন্ন পরিশ্রমে সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখা সম্ভব হয়েছে।
সাজ্জাদুল করিম কাবুল বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি শুধু বাংলাদেশের নয়, বৈশ্বিক বাজারের প্রভাবও রয়েছে। বিদেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ে তেল আমদানিতে চাপ থাকলেও সরকার সরবরাহ সচল রাখার চেষ্টা করছে। এ অবস্থায় ভোক্তাদের সংযত আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
বর্তমান পরিস্থিতির জন্য বৈশ্বিক বাজারের প্রভাব আছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যার যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকুই তেল কিনতে হবে।
অযথা ট্যাংক পূর্ণ করে তেল নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। এতে বাজারে অপ্রয়োজনীয় চাপ তৈরি হয়।’পেট্রোল পাম্পে তেল মজুদের সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। সরকার, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের সমন্বিত উদ্যোগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।’
গণমাধ্যমকে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে সাজ্জাদুল করিম কাবুল বলেন, ‘জ্বালানি সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই এবং সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে সরবরাহ অব্যাহত রাখবে।
ক্রেতারা সংযত হলে বর্তমান পরিস্থিতি সহজেই মোকাবিলা করা যাবে।’