
ভূমি অফিসের পুরানা বাউন্ডারি ইট বিক্রির অভিযোগ ভূমি সহকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে
ভূমি অফিসের বাউন্ডারি দেয়াল বা সরকারি স্থাপনার ইট বিক্রির মতো ঘটনা দণ্ডনীয় অপরাধ এবং সরাসরি দুর্নীতির শামিল। কিন্তু এই আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কড়াইবাড়িয়া ভূমি অফিসের পুরানা বাউন্ডারির ইট বিক্রির অভিযোগ উঠেছে সাবেক ভূমি সহকারি কর্মকর্তা রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারী জনাব রাজা তালুকদার বলেনঃ বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলাধীন ০৩নং কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা হিসেবে অনুমান বিগত ৩/৪ বছর যাবত চাকুরী করিয়াছেন। উক্ত ভূমি অফিসের চারিপার্শ্বে অনুমান দৈর্ঘ্য ১০০০ ফুট এবং উচ্চতা অনুমান ৩.৫০ ফুট বাউন্ডারী দেওয়া ছিল। উক্ত বাউন্ডারী পুরাতন হওয়ায় কিছু কিছু জায়গা থেকে ইট মাটিতে পরে যাওয়ায় পুনরায় সরকারি ভাবে উক্ত বাউন্ডারীর চারিপাশ দিয়ে তারকাটার বেড়া দেওয়া হয় এবং আনুমনিক এক বছর পর সামনে দিয়ে ইটের বাউন্ডারী দেওয়া হয়। তারকাটার বেড়া দেওয়ার পর উপরোক্ত বিবাদী অবৈধভাবে ধাপে ধাপে রাতের আঁধারে বাউন্ডারীর সমস্ত ইট বিক্রি করে এবং নিজের বাড়ীতে নিয়ে যায়। বিগত ০৬ মাস পূর্বে তিনি বদলী হয়ে তালতলী উপজেলাধীন বড়বগী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। কিন্তু তাহার পরিবারবর্গ পূর্বের কর্মস্থলে বসবাস করিতেছিল। অদ্য ০৮/০১/২০২৬ইং তারিখ তাহার পরিবারবর্গদের পূর্বের বাসা থেকে স্থানান্তর করার সময় বাউন্ডারীর যে সকল ইট নেওয়া বাকী ছিল তাহা তারা ট্রাক ভরে নিয়ে যায়। ইটগুলো নিয়ে যাওয়ার সময় আমি রাজা তালুকদার সহ অত্র ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফারুক খান ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বাঁধা প্রদান করিলে তাহা উপেক্ষা করিয়া কাউকে কোন পরোয়া না করে তিনি গাড়ী যোগে ইট নিয়ে চলে যান। যাহা সরেজমিনে তদন্ত করিলে প্রমান পাওয়া যাবে।
তার অভিযোগের ভিত্তিতে সরজমিনে তদন্তে নামে সাংবাদিক, তদন্ত করে ভূমি অফিসের ইট ক্রেতার সাথে কথা বলতে সক্ষম হয়, ক্রেতা রাশেদা জানান আমি এই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের স্যার রুহুল আমিনের কাছ থেকে ৮ শত ইট, টাকার বিনিময়ে ক্রয় করেছি। আমাদের এখানে আরো অনেক লোকের কাছে বিক্রি করেছেন, সবাই টাকার বিনিময়ে ক্রয় করেছেন। আমিও তাই সেখান থেকে এই ইটগুলো ক্রয় করে রেখেছি।অভিযুক্ত ব্যক্তি জনাব রুহুল আমিনকে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
মন্তব্য করুন