
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনে মিজান-এর কাছে মনোনয়নপত্র দেন উপজেলা বিএনপির কার্যকরি এ সদস্য। বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোচনায় স্বতন্ত্র প্রার্থী।
জানা যায়, ২০০৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাদারীপুর-১ আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন কামাল জামান নুরুউদ্দিন মোল্লা। দীর্ঘদিন শিবচর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমান তিনি উপজেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে কমিটিতে রয়েছেন। গত ৩ নভেম্বর বিকেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে মাদারীপুর-১ আসনের দলীয় প্রার্থী হিসেবে কামাল জামান নুরুউদ্দিন মোল্লার নাম ঘোষণা করে মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর। মনোনয়ন ঘোষণার ২৪ ঘণ্টা না যেতেই ৪ নভেম্বর বিকেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে নুরুউদ্দিন মোল্লার মনোনয়ন স্থগিত করা হয়। এতে ফুঁসে ওঠেন নুরুউদ্দিনের নেতাকর্মীরা।
প্রতিবাদে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধসহ নানান কর্মসূচি পালন করেন তারা। কিন্তু তার স্থগিত হওয়া মনোনয়ন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি ফেরত দেয়নি। পরে এ আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে গত ৪ ডিসেম্বর নাদিরা আক্তার মিঠু চৌধুরীর নাম ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় কমিটি।
রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্র বলছে, মাদারীপুর-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নাদিরা আক্তার মিঠু চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামী’র দলীয় প্রার্থী হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন মো. সরোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ কমিউনিস্টপার্টির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়পত্র জমা দেন আবদুল আলী, জাতীয় পার্টির মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম মিন্টু, খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতিক-এর মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন সাইদ উবিন আহমাদ হানজালা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর হাতপাখা প্রতিকের মাওলানা আকরাম হুসাইন, গণঅধিকার পরিষদের রাজিব মোল্লা, বাংলাদেশ লেবার পার্টির প্রার্থী মো. হাদিজুর রহমান, বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী লাবলু, শিবচর উপজেলা বিএনপির সদস্য কামাল জামান নুরুউদ্দিন মোল্লা, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন ইমরান হাসান।
মন্তব্য করুন