ঢাকা    সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
Protidinkhabor.com

টঙ্গীবাড়ীতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটাতারের বেড়া, ভোগান্তির আশঙ্কা


আবির হোসেন রাব্বি
আবির হোসেন রাব্বি
প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

টঙ্গীবাড়ীতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটাতারের বেড়া, ভোগান্তির আশঙ্কা

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় ব্রিটিশ আমল থেকে ব্যবহৃত একটি চলাচলের রাস্তায় কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে পথ সংকীর্ণ করার অভিযোগ উঠেছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি ব্যবহার করে আসা স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট জমির মালিকের দাবি, নিজের জমি রক্ষায় তিনি বেড়া দিচ্ছেন। অন্যদিকে, রাস্তাটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য নির্মিত এবং এর উন্নয়নে সরকারি বরাদ্দও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার পশ্চিম মটুকপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, কালভার্টসংলগ্ন মোল্লা বাড়ি থেকে হাওলাদার বাড়ি পর্যন্ত চলাচলের রাস্তার প্রবেশমুখে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আমির হোসেন হালদারের ছেলে আনোয়ার হালদার, লিটন হালদার, লিপি আক্তার ও রিতা আক্তার রাস্তার ওই অংশে বেড়া দিচ্ছেন। এতে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত রাস্তাটি সংকুচিত হয়ে পড়তে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দা রমজান খান বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকেই এই রাস্তা দিয়ে মানুষ চলাচল করছেন। সোমবার সকালে ফজরের নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় তিনি রাস্তায় কাঁটাতারের বেড়া দিতে দেখেন। তাকে বেড়া দিতে নিষেধ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বকাঝকা করেন এবং মারধর করতে তেড়ে আসেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্যসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়েছেন।

আরেক বাসিন্দা হারুন অর রশিদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ এই রাস্তা ব্যবহার করছেন। এলাকাবাসীর কাছ থেকে টাকা তুলে এবং নিজেদের অর্থায়নে রাস্তাটি উঁচু করা হয়েছে। সবার সম্মিলিত উদ্যোগে রাস্তাটির উন্নয়ন করা হলেও এখন সেখানে বেড়া দেওয়ায় চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে আনোয়ার হালদার বলেন, আমার জমি দিয়ে এত বড় রাস্তা আমি দেব না। দুই হাত রাস্তার জন্য রেখে আমার জায়গায় আমি বেড়া দিচ্ছি।

এ বিষয়ে ধীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আকতার হোসেন মোল্লা বলেন, রাস্তাটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে। এ রাস্তায় তিন দফায় সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। রাস্তা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। কেউ রাস্তা বন্ধ করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিষয় : রাস্তা কাঁটাতারের বেড়া ভোগান্তি

Protidinkhabor.com

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬


টঙ্গীবাড়ীতে চলাচলের রাস্তায় কাঁটাতারের বেড়া, ভোগান্তির আশঙ্কা

প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় ব্রিটিশ আমল থেকে ব্যবহৃত একটি চলাচলের রাস্তায় কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে পথ সংকীর্ণ করার অভিযোগ উঠেছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি ব্যবহার করে আসা স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট জমির মালিকের দাবি, নিজের জমি রক্ষায় তিনি বেড়া দিচ্ছেন। অন্যদিকে, রাস্তাটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য নির্মিত এবং এর উন্নয়নে সরকারি বরাদ্দও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার পশ্চিম মটুকপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, কালভার্টসংলগ্ন মোল্লা বাড়ি থেকে হাওলাদার বাড়ি পর্যন্ত চলাচলের রাস্তার প্রবেশমুখে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আমির হোসেন হালদারের ছেলে আনোয়ার হালদার, লিটন হালদার, লিপি আক্তার ও রিতা আক্তার রাস্তার ওই অংশে বেড়া দিচ্ছেন। এতে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত রাস্তাটি সংকুচিত হয়ে পড়তে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দা রমজান খান বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকেই এই রাস্তা দিয়ে মানুষ চলাচল করছেন। সোমবার সকালে ফজরের নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় তিনি রাস্তায় কাঁটাতারের বেড়া দিতে দেখেন। তাকে বেড়া দিতে নিষেধ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বকাঝকা করেন এবং মারধর করতে তেড়ে আসেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্যসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়েছেন।

আরেক বাসিন্দা হারুন অর রশিদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ এই রাস্তা ব্যবহার করছেন। এলাকাবাসীর কাছ থেকে টাকা তুলে এবং নিজেদের অর্থায়নে রাস্তাটি উঁচু করা হয়েছে। সবার সম্মিলিত উদ্যোগে রাস্তাটির উন্নয়ন করা হলেও এখন সেখানে বেড়া দেওয়ায় চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে আনোয়ার হালদার বলেন, আমার জমি দিয়ে এত বড় রাস্তা আমি দেব না। দুই হাত রাস্তার জন্য রেখে আমার জায়গায় আমি বেড়া দিচ্ছি।

এ বিষয়ে ধীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আকতার হোসেন মোল্লা বলেন, রাস্তাটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে। এ রাস্তায় তিন দফায় সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। রাস্তা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। কেউ রাস্তা বন্ধ করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



Protidinkhabor.com

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আলী আজগর হাওলাদার
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ আলী আজগর হাওলাদার