
এক সাক্ষাৎকারে শ্রিংলা বলেন, বিশ্ব যখন একের পর এক ভূরাজনৈতিক সংকট মোকাবিলা করছে, ঠিক তখনই এই সফর ভারতের জন্য নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে। তার মতে, এটি শুধু আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সফর নয়, বরং অর্থনীতি, প্রযুক্তি, জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বিস্তারে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ।
সফরের শুরুতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অল্প সময় অবস্থান করলেও তা ছিল অত্যন্ত ফলপ্রসূ। শ্রিংলার ভাষ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও আমিরাত ভারতের অর্থনীতির ওপর আস্থা রেখেছে এবং ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।
একই সঙ্গে দুই দেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কাঠামো নিয়ে কাজ করছে, যা ভবিষ্যতে সামরিক সম্পর্ককে আরো গভীর করবে।
তিনি বলেন, আমিরাত এখন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অংশ নয়, বরং উপসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের কৌশলগত কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করছে। এই সফরের ফলে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের দেশগুলোর সঙ্গেও ভারতের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
নেদারল্যান্ডস প্রসঙ্গে শ্রিংলা জানান, উচ্চপ্রযুক্তি ও সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে দেশটি ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী।
একই সঙ্গে দুই দেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কাঠামো নিয়ে কাজ করছে, যা ভবিষ্যতে সামরিক সম্পর্ককে আরো গভীর করবে।
তিনি বলেন, আমিরাত এখন শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অংশ নয়, বরং উপসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের কৌশলগত কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করছে। এই সফরের ফলে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের দেশগুলোর সঙ্গেও ভারতের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
নেদারল্যান্ডস প্রসঙ্গে শ্রিংলা জানান, উচ্চপ্রযুক্তি ও সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে দেশটি ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী।
বিশেষ করে নরওয়ে সফরকে তিনি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেন। দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় পর কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর নরওয়ে সফর দুই দেশের সম্পর্কের স্থবিরতা কাটাতে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে অভিমত জানান তিনি। তিনি মনে করেন, নরওয়ের বিনিয়োগ সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা ভারতের সবুজ জ্বালানি খাতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
শ্রিংলা আরো বলেন, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে ভারতকে এখন অনেক দেশ স্থিতিশীলতা, শান্তি ও উন্নয়নের নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে দেখছে। ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের গুরুত্ব বাড়ছে এবং বিভিন্ন দেশ বিনিয়োগ ও সহযোগিতায় আগ্রহ দেখাচ্ছে।
তার মতে, এই সফরের মাধ্যমে ভারত শুধু কূটনৈতিক সাফল্য অর্জন করেনি, বরং সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, বড় অঙ্কের বিদেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত করা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে ভবিষ্যতের শক্তিশালী বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও কৌশলগত শক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরো মজবুত করেছে।
মন্তব্য করুন