ঢাকা ০১:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাজশাহীতে গর্ত থেকে উদ্ধার করা শিশুটি বেঁচে নেই Logo ।ক্রীড়ায় আসিফ নজরুল, স্থানীয় সরকারে আদিলুর ও তথ্যে সৈয়দা রিজওয়ানা Logo ফরিদপুরে কলেজে অস্ত্র হাতে যুবকের মহড়া, দুই দিন পর থানায় অভিযোগ Logo ভারতের ওপর এবার ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপাল মেক্সিকো Logo মেট্রোরেলের ভ্যাট প্রত্যাহার করেছে সরকার: শফিকুল আলম Logo তরুণদের দক্ষতা ও কর্মসংস্থান বাড়াতে কাজ করছে ব্র্যাক ও মেটলাইফ ফাউন্ডেশন Logo নির্বাচন যত সহজ ভাবা হচ্ছে, তত সহজ হবে না: তারেক রহমান Logo সুখবর পেলেন বিএনপির যেসব নেতা Logo চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের ফায়ারিং অনুশীলনের সময় পথচারী গুলিবিদ্ধ আহত যুবককে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। Logo সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের নবম দিনের শুনানি চলছে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে দায়ের করা আপিলের টানা নবম দিনের শুনানি শুরু হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

এর আগে ৪ নভেম্বর, ২ নভেম্বর এবং গত ২৯, ২৮, ২৩ ও ২২ অক্টোবরও এ সংক্রান্ত টানা শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ২১ অক্টোবর থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের শুনানি শুরু হয়।

এর আগে ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনগুলোর প্রাথমিক শুনানি শেষে আপিলের অনুমতি দেয় আদালত।

পরবর্তীকালে ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ পাঁচজন আপিল করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা যুক্ত করা হয়। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম. সলিমউল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট রায় দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করে রিট খারিজ করে দেয়।

আরও পড়ুন  কর্নেল রাজিবকে শেখ হাসিনা ‘এবার আর কোনো কথা নাই, শুরুতেই দিবা’

পরে ২০০৫ সালে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়। আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে রায় দেন।

এই রায়ের পর ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয় সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বিল, যা তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করে। পরদিন, ৩ জুলাই, সংশ্লিষ্ট গেজেট প্রকাশ করা হয়।

পরে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, তোফায়েল আহমেদ, এম. হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান—এই পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি ৫ আগস্ট রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন।

এছাড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৬ অক্টোবর এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ২৩ অক্টোবর পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন।

পরে নওগাঁর রানীনগর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেনও গত বছর একই বিষয়ে আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন জানান।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহীতে গর্ত থেকে উদ্ধার করা শিশুটি বেঁচে নেই

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের নবম দিনের শুনানি চলছে

আপডেট সময় : ০৪:২৯:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে দায়ের করা আপিলের টানা নবম দিনের শুনানি শুরু হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

এর আগে ৪ নভেম্বর, ২ নভেম্বর এবং গত ২৯, ২৮, ২৩ ও ২২ অক্টোবরও এ সংক্রান্ত টানা শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ২১ অক্টোবর থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের শুনানি শুরু হয়।

এর আগে ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনগুলোর প্রাথমিক শুনানি শেষে আপিলের অনুমতি দেয় আদালত।

পরবর্তীকালে ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ পাঁচজন আপিল করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা যুক্ত করা হয়। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম. সলিমউল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট রায় দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করে রিট খারিজ করে দেয়।

আরও পড়ুন  একটি পিস্তল ও ৮ রাউন্ড গুলি সহ শুটার রনি গ্রেফতার

পরে ২০০৫ সালে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়। আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে রায় দেন।

এই রায়ের পর ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয় সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বিল, যা তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করে। পরদিন, ৩ জুলাই, সংশ্লিষ্ট গেজেট প্রকাশ করা হয়।

পরে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, তোফায়েল আহমেদ, এম. হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান—এই পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি ৫ আগস্ট রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন।

এছাড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৬ অক্টোবর এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ২৩ অক্টোবর পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন।

পরে নওগাঁর রানীনগর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেনও গত বছর একই বিষয়ে আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন জানান।