
ডিবির পৃথক তিনটি অভিযানে ৫ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
নিউজ প্রকাশ: ২৩-০২-২০২৬
সামরুল হক
ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ায় পৃথক তিনটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গাঁজা, হেরোইন ও ইয়াবাসহ পাঁচজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
রোববার (২২-২৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত থেকে ভোর পর্যন্ত অভিযানগুলো পরিচালিত হয়। এ সময় মোট ৭ গ্রাম হেরোইন, ৫০০ গ্রাম গাঁজা এবং ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
আশুলিয়ায় হেরোইনসহ ৩ জন গ্রেপ্তার
ডিবি সূত্রে জানা যায়, মিজানুর রহমান, পুলিশ সুপার, ঢাকা জেলার নির্দেশনায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন মোঃ সাইদুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ, ডিবি (উত্তর)।
২২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে আশুলিয়া থানাধীন পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে ৭ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধারকৃত হেরোইনের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৯০ হাজার টাকা।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—
১. মোঃ আতিকুর রহমান (৩৭)
২. মোঃ নয়ন মন্ডল (৩১)
৩. মোঃ মাসুদ মিয়া (২৫)
তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে বলে ডিবি জানিয়েছে।
সাভার বাসস্ট্যান্ডে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ১ জন
পৃথক আরেকটি অভিযানে ২৩ ফেব্রুয়ারি রাত ২টা ৩০ মিনিটে সাভার থানাধীন বাসস্ট্যান্ড পল্লী মার্কেট এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
এসময় ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ মোঃ ফরিদ হোসেন (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজার আনুমানিক মূল্য ১৫ হাজার টাকা।
ডিবি সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে ৯টি মাদকসহ অন্যান্য মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
শ্যামপুরে ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার
অন্যদিকে ২২ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে সাভার থানাধীন শ্যামপুর কুমার খোদা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোছাঃ সাহেলা খাতুন (৬৫) নামের এক নারীকে ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
উদ্ধারকৃত ইয়াবার ওজন ৩ গ্রাম এবং আনুমানিক মূল্য ৯ হাজার টাকা বলে জানানো হয়েছে।
আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা
ডিবি পুলিশের প্রেস রিলিজে উল্লেখ করা হয়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে তাদের সাভার মডেল থানায় মামলা নথিভুক্ত করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সাভার ও আশুলিয়ায় মাদক কারবার দমনে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ধারাবাহিক এ ধরনের অভিযানের মাধ্যমে শিল্পাঞ্চল ও আবাসিক এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে।
মন্তব্য করুন