পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাবা-ছেলে বিভিন্ন সময় ভুক্তভোগী মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করতো। এক পর্যায়ে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে অভিভাবকরা বিষয়টি টের পান।
ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য মতে, প্রতিবেশী সম্পর্কে নানাভাই ও তার ছেলের দ্বারা প্রায়ই সে ধর্ষণের শিকার হয়।
পরে গত বুধবার গ্রাম্য শালিসে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ১০ লাখ টাকা কাবিননামা ও ৪ শতাংশ জমি লিখে দেওয়ার বিনিময়ে ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেয় গ্রাম প্রধানরা। সেই সঙ্গে অভিযুক্ত বাবাকে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার শর্ত দেন গ্রাম প্রধানরা।
কিন্তু কিশোরীর ভাই বাদী হয়ে স্থানীয় থানায় মামলা করলে পুলিশ বাবা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ভুক্তভোগীর বাড়ির পাশে সামসুল হক গাজীর চায়ের দোকান রয়েছে।
এক পর্যায়ে কিশোরীর শরীরে পরিবর্তন দেখে মেয়েটির মা চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে জানতে পারেন যে মেয়ে গর্ভবতী। পরবর্তীতে মেয়ের কাছে বিস্তারিত জেনে গ্রাম শালিস বসানো হয়। সেখানে গ্রাম প্রধানরা ১০ লাখ টাকা কাবিন ও ৪ শতাংশ জমি লিখে দেওয়ার বিনিময়ে ছেলে আরিফুল ইসলামের সঙ্গে কিশোরীর বিয়ে দেয়।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালাম জানান, ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ ও অন্তঃস্বত্তার ঘটনায় মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্ত বাবা ও ছেলেকে গ্রেপ্তার করে সোমবার দুপুরে নাটোর জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী মেয়েটির ডাক্তারী পরীক্ষাও সম্পন্ন করা হয়েছে।
|
২৬ মে, ২০২৬
