
ফ্যাসিবাদবিরোধী যোদ্ধা ফারুক খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি গাজীপুরবাসীর
গাজীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুর সিটি করপোরেশন (জিসিসি) নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী এবং দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক খানকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় নেতা–কর্মী ও বিএনপি সমর্থকরা।
বহুদিন ধরে দলের দুর্দিনে মাঠে থাকা ফারুক খানের প্রতি অবিচার হয়েছে দাবি করে তারা বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা অবিস্মরণীয়। ১৭ বছরের বেশি সময় ধরে সংঘর্ষ, হামলা–মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েও তিনি দলের প্রতি অনুগত ছিলেন।
ফারুক খান জানান, দলের গঠনতন্ত্রের আওতাভুক্ত কোনো কারণ ছাড়াই তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং এতে তৃণমূল নেতাকর্মীরা গভীরভাবে ক্ষুব্ধ। তিনি বলেন, *“শহীদ জিয়ার আদর্শ বুকে নিয়ে আমি সবসময় নিপীড়িত মানুষের পাশে ছিলাম। কোনো অবস্থাতেই দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করিনি।”*
২০২৩ সালের জিসিসি নির্বাচনে তিনি দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু এরপর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, ফারুক খানকে বহিষ্কার করা হলে আন্দোলন আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। তাঁরা অভিযোগ করেন, কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি দলের ভেতরে বিভাজন সৃষ্টি করতে এই সিদ্ধান্তে প্রভাব রেখেছে।
গাজীপুর মহানগর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ ও বিএনপিপন্থী সমর্থকেরা জানান, ফারুক খান তৃণমূলের একজন নিবেদিত নেতা, যিনি দুর্দিনে দলের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। তাঁরা অবিলম্বে তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান।
বক্তারা আরও বলেন, ফারুক খানের মতো পরীক্ষিত নেতার ওপর অবিচার আন্দোলনকে দুর্বল করবে এবং তৃণমূলের আস্থা কমিয়ে দেবে। তাঁদের বিশ্বাস, পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে দলীয় উচ্চ নেতৃত্ব দ্রুত সিদ্ধান্ত সংশোধন করবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ফারুক খানকে ঘিরে গাজীপুরে বিএনপির কার্যক্রমে নতুন করে উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং এর প্রভাব স্থানীয় রাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী হতে পারে।


























