অনলাইন ডেস্ক
১১ জানুয়ারী ২০২৬, ৬:৪৪ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

গৃহযুদ্ধে জর্জরিত মিয়ানমারে দ্বিতীয় পর্বের ভোট চলছে

গৃহযুদ্ধে জর্জরিত মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর পরিচালনায় পাঁচ বছরের মধ্যে প্রথম সাধারণ নির্বাচনের তিন ধাপের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে। রোববার সকাল থেকে ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিচ্ছেন বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর এটিই দেশটিতে প্রথম নির্বাচন। চলমান সংঘাত ও নিরাপত্তা সংকটের মধ্যেই এই ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগে গত ২৮ ডিসেম্বর প্রথম ধাপের ভোট হয়, যেখানে ভোটার উপস্থিতি ছিল প্রায় ৫২ শতাংশ—যা আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় অনেক কম।

বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচনের মূল উদ্দেশ্য ক্ষমতাসীন সামরিক জান্তাকে বৈধতা দেওয়া। প্রথম ধাপে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ১০২টি আসনে ভোট হয়, যার মধ্যে সামরিক সমর্থিত ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি) ৯০টি আসনে জয় পায়।

২৫ জানুয়ারি চূড়ান্ত ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে দেশের অনেক এলাকায় ভোট হচ্ছে না। সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ৩৩০টি টাউনশিপের মধ্যে ৫৬টিতে ভোট হবে না, আর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এলাকা পুরোপুরি নির্বাচনের বাইরে থাকছে।

আরও পড়ুন  ইউক্রেন যুদ্ধে বিজয়ী হবে রাশিয়া: নববর্ষের ভাষণে পুতিন

জাতিসংঘ, পশ্চিমা দেশ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, এই নির্বাচন অবাধ ও বিশ্বাসযোগ্য নয়। বিরোধী দলগুলোর অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং নির্বাচন সমালোচনা করলে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসিসসহ প্রায় ৪০টি দল নিষিদ্ধ, আর সু চি ও দলের বহু নেতা কারাবন্দি বা নির্বাসনে রয়েছেন।

পর্যবেক্ষকদের মতে, চীনের সমর্থন পাওয়া জান্তা সরকার এই নির্বাচনের মাধ্যমে নিজেদের বৈধতা জোরদার করে ক্ষমতা আরও পাকাপোক্ত করতে চাইছে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজধানীতে কুকুর হত্যার অপরাধে ৩ জনের কারাদণ্ড

জ্বালানি সংকটের কারণে স্বাধীনতা দিবসে আলোকসজ্জা না করার সিদ্ধান্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্পেশাল ফোর্স পাঠিয়ে ইরানের পরমাণু ভাণ্ডার জব্দ করতে ইচ্ছুক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

নির্বাচনের পরে নতুন করে ফ্যাসিবাদের চেহারা দেখানো শুরু হয়েছে: সারজিস

জুলাইয়ের হারিয়ে যাওয়া নারী কণ্ঠস্বর খুঁজে বের করবো

শরীয়তপুর এক্সপ্রেসওয়েতে চাঁদাবাজি, যুবক আটক

‘চলেন যুদ্ধে যাই’— বাড়ির দরজা খুলেই বললেন প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি সংকটের কারণে স্বাধীনতা দিবসে আলোকসজ্জা না করার সিদ্ধান্ত

শেখ মুজিব সমঝোতা করে পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন : জাসদ নেতা

শেখ হাসিনা বিদেশে বসে ক্রমাগত দেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

১০

ঝিনাইদহে বিএনপির দু’গ্রুপের ইফতার মাহফিলকে কেন্দ্র করে ১৪৪ ধারা জারি

১১

শেখ হাসিনা বিদেশে বসে ক্রমাগত দেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে:

১২

প্রথম কাজ করে কত টাকা মাইনে পেয়েছিলেন অমিতাভ?

১৩

মিনাবে স্কুলে হামলার জন্য ইরানকেই দায়ী করলেন ট্রাম্প

১৪

‘সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চা না হলে, ছবি ফ্লপ!’

১৫

নারীরা এগিয়ে গেলে জাতি এগিয়ে যায়: ডা. জুবাইদা রহমান

১৬

শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা দেওয়া হলো খালেদা জিয়াসহ ৬ নারীকে

১৭

শত্রুকে এক ইঞ্চি জমিও দখল করতে দেবে না ইরান, জাতির উদ্দেশে ভাষণে পেজেশকিয়ান

১৮

মির্জা আব্বাসের মামলা / পাটওয়ারীকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি

১৯

নারীরা এগিয়ে গেলে জাতি এগিয়ে যায়: ডা. জুবাইদা রহমান

২০