অনলাইন ডেস্ক
১৯ মার্চ ২০২৬, ৪:৩০ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

বাস-লঞ্চ-ট্রেনে ঘরমুখো মানুষের ঢল :ঈদযাত্রায়

ঈদের ছুটিতে রাজধানী ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোর থেকে পরিবার-প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে রেল, সড়ক ও নৌ-পথে ঢাকা ছেড়ে নিজ গন্তব্যে ফিরছেন মানুষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে যাচ্ছে দূরপাল্লার যানবাহন। এতে যাত্রীদের মধ্যেও দেখা গেছে স্বস্তির ছাপ। তবে কিছু যাত্রীদের অভিযোগ, কিছু কিছু বাস নির্ধারিত ভাড়ার থেকে বেশি ভাড়া আদায় করছে। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়াও জ্বালানি তেল নিয়ে ভোগান্তির কথা জানান তারা। বলেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে ঘুরে ঘুরে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এতে করে অনেক সময় লেগে যাচ্ছে তেল নিতেই।

মহাসড়কেও ঘরমুখো যাত্রীর প্রচুর চাপ, গণপরিবহন সংকটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন যাত্রীরা। ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্যের অভিযোগ প্রায় প্রত্যেকের। পরিবার, নারী-শিশুদের নিয়ে চরম দুর্ভোগ মাথায় নিয়ে শেষ মুহূর্তের ঈদ যাত্রায় শামিল হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। বাস না পেয়ে ও বাড়তি ভাড়ার চাপ সামলাতে পরিবার নিয়ে ট্রাক, পিকআপ ভ্যানে করেই গন্তব্যে রওয়ানা করছেন যাত্রীরা। গাজীপুরের চন্দ্রা মোড়কেন্দ্রিক কয়েক কিলোমিটারের গাড়ির জটলা, পথে পথে যাত্রী তোলায় এ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে, যানজট নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশের তেমন কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছেনা।

আরও পড়ুন  আগের মতো একমুখী হবে না ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক : বিশ্লেষক মত

এদিকে, ভোর থেকেই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। নীলসাগর এক্সপ্রেস ছাড়াও অন্য ট্রেনগুলো ১০-১৫ মিনিট বিলম্ব করে ছেড়ে যাচ্ছে। সকাল থেকে ৭টি ট্রেন ছেড়ে গেছে কমলাপুর থেকে। যেহেতু ঈদের দুইদিন বাকি, ফলে যে যেভাবে পারছেন টিকিট নিয়ে কিংবা টিকিট ছাড়া ছাদে চড়েও বাড়ি যাচ্ছেন। আর গতকাল বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনার কারণে ভোর থেকে এ পথের যাত্রীরা স্টেশনে অপেক্ষা করছেন। তবে ট্রান্সশিপমেন্টের মাধ্যমে ট্রেনের যাত্রীদের চলাচলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ঈদের লঞ্চে করে বাড়ি ফেরার চাপ ছিল চোখে পড়ার মতো। লঞ্চে জায়গা পেতে ভোর রাত থেকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ছিল উপচে পড়া ভিড়। সকালে টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, পন্টুনে লঞ্চ থামা মাত্রই ঘরমুখো যাত্রীরা হুড়মুড়িয়ে নৌযানে ওঠেন। গতকালের দুর্ঘটনার পরও যাত্রীদের মধ্যে কোনো সতর্কতা বা সচেতনতা দেখা যায়নি। যাত্রীতে পরিপূর্ণ হলেই ছেড়ে যাচ্ছে নৌযানগুলো। যাত্রীরা বলছেন, কিছুটা কষ্ট হলেও পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপনই স্বস্তির। তুলনামূলক আরামদায়ক যাত্রা; তাই যাত্রীদের লঞ্চ ভ্রমণ পছন্দ। এবার টার্মিনালে আসতে তেমন ভোগান্তি ছিলো না বলে জানান যাত্রীরা। তবে লঞ্চের ভাড়া নিয়ে আছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঢাকার দায়িত্ব আমাকে দিন : নবীন

“প্রশিক্ষণ দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য, প্রার্থীর যোগ্যতার প্রমানের জন্য নয়” — ক্ষোভ ১৪,৩৮৪ জন শিক্ষকের।

গাবতলীতে ২ লাখ টাকার নিচের গরু বিক্রি বেশি, ‘দাম কম’ বলছেন বিক্রেতারা

নাটোরে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

২৪ ঘণ্টায় পদ্মা সেতুতে ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা টোল আদায়

কোরবানি হাটে মহিষের গুঁতোয় নিহত ২ জন

ইরানে যাচ্ছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের খসড়া চুক্তির ঘোষণা আসতে পারে

রংপুরে পুকুরে ডুবে দুই কিশোরের মৃত্যু

কামরাঙ্গীচরে ছয় তলা থেকে পড়ে তরুণের মৃত্যু

১০

বাংলাদেশ বর্তমানে কোরবানিযোগ্য পশু উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ

১১

চীন যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

১২

দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত করে চার্জশিট দেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩

‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে বিইআরসি গণশত্রুতে পরিণত হবে’

১৪

মহাসড়কের ১০ স্পটে ভোগান্তির শঙ্কা

১৫

বৈশ্বিক অস্থিরতার মাঝেও নতুন উচ্চতায় ভারতের কূটনীতি

১৬

সিরিজ সেরা মুশফিক জানালেন কঠোর পরিশ্রমের কথা

১৭

পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা, নাগরিকতা ও নেতৃত্বের শিক্ষা

১৮

নিলামে আরও ১০০ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

১৯

ইসির বিচার করার হুঁশিয়ারি দিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

২০