অনলাইন ডেস্ক
২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫:০৯ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

ভাষা শহীদরা জীবন দিয়ে দেখিয়েছে, লড়াই করলে নিজের অধিকার ফিরে পাওয়া যায়

জামায়াতে ইসলামী আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ১৯৫২ সালের শহীদরা হাতে আঙ্গুল দিয়ে জীবন দিয়ে আমাদেরকে দেখিয়ে দিয়েছে, বীররা কখনও হারায়নি। তাদের কোনো পরাজয় নেই, সর্বত্রই বিজয়ী হয়। লড়তে পারলে নিজের অধিকার ফিরে পাওয়া যায়। হয়তো আমার জীবন যাবে, কিন্তু আমার জাতি জীবন পাবে। আমাদের জীবনের বিনিময়ে হলেও জাতির জীবন ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য এই লড়াই চালিয়ে যাবো। ইনশাল্লাহ।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার পরে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান জামায়াত আমির। পরে আজিমপুরে শহীদদের কবরে দোয়া-মোনাজাত করে তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, ১৯৫২ সালে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য সেই সময়ের তরুণ, যুবক ও ছাত্ররা বুক পেতে লড়াই করেছিল। সেদিনকার এই লড়াইয়ে আমাদের কিছু সংখ্যক সহযোদ্ধা শাহাদাত বরণ করেছিলেন। আজকে সেইদিনে তাদেরকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি এবং আল্লাহ তায়ালার দরবারে সকলের জন্য মাগফিরাত কামনা করছি।

তিনি আরও বলেন, জামায়াত মানুষের অধিকারের জন্যই লড়াই করে। এই লড়াই অব্যাহত থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশে একটি মানবিক সমাজ কায়েম না হবে। যেখানে মানুষ ন্যায়বিচার পাবে, দুর্নীতিমুক্ত হবে, চাঁদাবাজির কলুষিত কালো থাবা থেকে মানুষ মুক্তি পাবে এবং কোনো অবিচার কারx উপর করার কেউ দুঃসাহস দেখাবে না। সেরকম একটি সমাজ কায়েমের জন্য আমাদের লড়াই অব্যাহত আছে।

আরও পড়ুন  গোপালগঞ্জের মানুষ আমাকে আপন ভাই হিসেবে গ্রহণ করেছে: এস এম জিলানী

জামায়াত আমির বলেন, আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে শিশুদের জন্য। যারা আজকের শিশু আগামী দিনে সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠবে, তাদেরকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য রাষ্ট্র যাতে দায়িত্ব পালনে বাধ্য হয়, সেই পর্যায়ে রাষ্ট্রকে নিয়ে আমরা ভাবছি এবং আমরা তার জন্য লড়াই করে যাচ্ছি। প্রত্যেকটি মুটে মজুর, মাঝি, শ্রমিক, কৃষক এবং বিভিন্ন পেশার শ্রেণীর মানুষের মুক্তির জন্য আমাদের এই লড়াই। এই লড়াই কোনো অভিজাত শ্রেণীর জন্য নয়। বরঞ্চ বঞ্চিত মানুষের জন্য। বঞ্চিত মানুষ আমরাও, সারা দেশবাসীও। এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

“প্রশিক্ষণ দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য, প্রার্থীর যোগ্যতার প্রমানের জন্য নয়” — ক্ষোভ ১৪,৩৮৪ জন শিক্ষকের।

গাবতলীতে ২ লাখ টাকার নিচের গরু বিক্রি বেশি, ‘দাম কম’ বলছেন বিক্রেতারা

নাটোরে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

২৪ ঘণ্টায় পদ্মা সেতুতে ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা টোল আদায়

কোরবানি হাটে মহিষের গুঁতোয় নিহত ২ জন

ইরানে যাচ্ছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের খসড়া চুক্তির ঘোষণা আসতে পারে

রংপুরে পুকুরে ডুবে দুই কিশোরের মৃত্যু

কামরাঙ্গীচরে ছয় তলা থেকে পড়ে তরুণের মৃত্যু

বাংলাদেশ বর্তমানে কোরবানিযোগ্য পশু উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ

১০

চীন যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

১১

দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত করে চার্জশিট দেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১২

‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে বিইআরসি গণশত্রুতে পরিণত হবে’

১৩

মহাসড়কের ১০ স্পটে ভোগান্তির শঙ্কা

১৪

বৈশ্বিক অস্থিরতার মাঝেও নতুন উচ্চতায় ভারতের কূটনীতি

১৫

সিরিজ সেরা মুশফিক জানালেন কঠোর পরিশ্রমের কথা

১৬

পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা, নাগরিকতা ও নেতৃত্বের শিক্ষা

১৭

নিলামে আরও ১০০ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

১৮

ইসির বিচার করার হুঁশিয়ারি দিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৯

স্পিকারের সঙ্গে ফরাসি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে জোর

২০