মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনায় অর্থ বিভাগ এ মূল্যায়ন করেছে। প্রতিবেদনটি ইতিমধ্যে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনায় অর্থ বিভাগ এ মূল্যায়ন করেছে। প্রতিবেদনটি ইতিমধ্যে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।
অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, যুদ্ধ শুরু হয়েছে মাত্র ১২ দিন আগে। এত অল্প সময়ের তথ্যের ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট প্রভাব নির্ধারণ করা কঠিন। তবে বাংলাদেশের প্রধান জ্বালানি সরবরাহকারী দেশগুলোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থাকায় স্বল্পমেয়াদে বড় ধরনের জ্বালানিসংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা কম।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলে বাড়বে ঝুঁকি : বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত নৌপথ হরমুজ প্রণালি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চাপ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা। পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী এ প্রণালি দিয়ে বৈশ্বিক এলএনজি বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ এবং সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় ২৫ শতাংশ পরিবহন করা হয়।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য ঝুঁকির জায়গাগুলো : আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও এলএনজির দাম বৃদ্ধি, জ্বালানি আমদানি ব্যয় বাড়ায় ভর্তুকির চাপ বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বাড়ার কারণে আমদানি পণ্যের দাম বাড়ার ঝুঁকি, বৈদেশিক মুদ্রার ওপর অতিরিক্ত চাপ।
কেন এখনই বড় সংকট দেখছে না সরকার : অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, কয়েকটি কারণে তাৎক্ষণিক বড় সংকটের আশঙ্কা কম, প্রধান জ্বালানি সরবরাহকারী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি রয়েছে। এলএনজি ও জ্বালানি তেলের কিছু চালান ইতিমধ্যে দেশে পৌঁছেছে এবং আরো আসছে। কৃষি খাতের জন্য পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে। সরকার বিকল্প বাজার থেকেও জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি নতুন চাপের মুখে পড়তে পারে বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন।
মন্তব্য করুন