
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে গাইবান্ধা-১ ও গাইবান্ধা-২ আসনে মোট আটজনের মনোনয়ন বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এর মধ্যে গাইবান্ধা-১ আসনে পাঁচ এবং গাইবান্ধা-২ আসনে তিন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মনোনয়ন দাখিলকারী প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল হক জিয়া, জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, মার্কসবাদী পরমানন্দ দাস, এলডিপির শরিফুল ইসলাম এবং আমজনতার কওছর আজম। এ আসনে মোট ১০ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন।
গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনের বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির আনিসুজ্জামান খান বাবু, জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদ সরকার, জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল করিম, মার্কসবাদীর আহসানুল হক এবং জনতার দলের শাহেদুর রহমান। এ আসনে মোট ৮ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, শিক্ষকতা পেশায় জড়িত থাকায় গাইবান্ধা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মাজেদুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া দলীয় মনোনয়নপত্রের কাগজপত্র সঠিক না থাকায় জাতীয় পার্টির মাহফুজুল হক সরকার ও ইসলামী আন্দোলনের রমজান আলীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমা আক্তার ও মোস্তফা মহসিনের ক্ষেত্রে সমর্থনকারী ভোটারের সংখ্যায় অসংগতি থাকায় মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
অন্যদিকে, গাইবান্ধা-২ আসনে দলীয় মনোনয়নপত্র সঠিক না থাকায়, কমিউনিস্ট পার্টির মিহির কুমার ঘোষ ও ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদের এবং হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় খেলাফত মজলিসের একেএম গোলাম আযমের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা আরও জানান, বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আইন অনুযায়ী আপিল করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন