অনলাইন ডেস্ক
২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮:৩১ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

নির্বাচিত সরকার এলে পছন্দের লোক বসানোই স্বাভাবিক: বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর

বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, যখন নতুন নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেয়, স্বাভাবিকভাবেই রাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় তারা পছন্দনীয় লোকজন বসান। তবে যে বিচার প্রক্রিয়া এখানে চলমান, সেটা যেন অবশ্যই অব্যাহত থাকে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

তাজুল ইসলাম বলেন, আমি এখানে নিয়োজিত হয়েছিলাম অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে। এখন নতুন সরকার এসেছে। কাজের সুবিধার্থে তাদের নিজস্ব পরিকল্পনা আছে। তারা নিশ্চয়ই সে অনুযায়ী এখানে তাদের লোক বসিয়েছেন। আমার পক্ষ থেকে তাদের জন্য সর্বাত্মক শুভকামনা থাকল।

বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর বলেন, নতুনদের প্রতি সহযোগিতা থাকবে, পরামর্শ দরকার হলে আমি দেব। আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে চাইব যে বিচার প্রক্রিয়া যেভাবে চলমান আছে, সেটা যেন অব্যাহত থাকে। দেশে এই অপরাধগুলো পুনরায় আর কখনও সংঘটিত হতে না পারে।

তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি শঙ্কার কোনো কারণ নেই। ছাত্রজনতা এবং ভুক্তভোগী মানুষের বিচারের যে তৃষ্ণা, তাদের প্রতি সুবিচার করার স্বার্থে এই বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহতভাবে সামনে অগ্রসর হবে।

আরও পড়ুন  দেশের সংকট উত্তরণে তারেক রহমানের বিকল্প নেই : মিন্টু

তাজুল ইসলাম বলেন, শুরুতে এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তাকে বলা হয়েছিল, যেভাবে চলছে সেভাবেই চলবে। সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন, নতুন কেউ তার দায়িত্বে আসছেন। তখন তিনি সরকারকের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বলেন, পদত্যাগ করবেন কিনা। তখন তাকে পদত্যাগ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। বলা হয়, নতুন কেউ দায়িত্বে এলে এমনিতেই স্থলাভিষিক্ত হয়ে যাবে।

তাজুল ইসলাম বলেন, তিনি পদত্যাগ করলে এটা নিয়ে সকলের কাছে ভিন্ন বার্তাও যেতে পারতো। তাই তিনিও পদত্যাগ করেননি।

এ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনাল যে যুক্তি-প্রমাণ হাজির করেছে, তা পৃথিবীর যে কোনো দেশের আদালতেই উপস্থাপিত হলে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, পুরো প্রসিকিউশন একটি টিম হয়ে কাজ করেছে। এখানে কোনো গ্রুপিং ছিল না।

বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, তিনি সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী। তাই তাকে বেকার থাকতে হচ্ছে না। দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েই তিনি তার আইনপেশায় ফিরে যাবেন।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

“প্রশিক্ষণ দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য, প্রার্থীর যোগ্যতার প্রমানের জন্য নয়” — ক্ষোভ ১৪,৩৮৪ জন শিক্ষকের।

গাবতলীতে ২ লাখ টাকার নিচের গরু বিক্রি বেশি, ‘দাম কম’ বলছেন বিক্রেতারা

নাটোরে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

২৪ ঘণ্টায় পদ্মা সেতুতে ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা টোল আদায়

কোরবানি হাটে মহিষের গুঁতোয় নিহত ২ জন

ইরানে যাচ্ছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের খসড়া চুক্তির ঘোষণা আসতে পারে

রংপুরে পুকুরে ডুবে দুই কিশোরের মৃত্যু

কামরাঙ্গীচরে ছয় তলা থেকে পড়ে তরুণের মৃত্যু

বাংলাদেশ বর্তমানে কোরবানিযোগ্য পশু উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ

১০

চীন যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

১১

দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত করে চার্জশিট দেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১২

‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে বিইআরসি গণশত্রুতে পরিণত হবে’

১৩

মহাসড়কের ১০ স্পটে ভোগান্তির শঙ্কা

১৪

বৈশ্বিক অস্থিরতার মাঝেও নতুন উচ্চতায় ভারতের কূটনীতি

১৫

সিরিজ সেরা মুশফিক জানালেন কঠোর পরিশ্রমের কথা

১৬

পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা, নাগরিকতা ও নেতৃত্বের শিক্ষা

১৭

নিলামে আরও ১০০ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

১৮

ইসির বিচার করার হুঁশিয়ারি দিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৯

স্পিকারের সঙ্গে ফরাসি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে জোর

২০