অনলাইন ডেস্ক
৬ জুলাই ২০২৫, ১০:০১ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

শরণখোয় বিএনপির প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন 

শরণখোয় বিএনপির প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন : ছবি সংগৃহীত

 শরনখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি  
বাগেরহাটের শরণখোলায় বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনকে কেন্দ্র করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মিথ্যা, বানোয়াট ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬ জুলাই দুপুর ১২ টায় উপজেলার পাঁচ রাস্তার মোড়ে আল আরাফা ব্যাংকের নিচ তলায় বিএনপির নির্বাচনী কার্যালয়ে সভাপতি প্রার্থী আঞ্জুমান আরা আলো, সম্পাদক প্রার্থী বেলাল হোসেন মিলন ও সাংগঠনিক পদপ্রার্থী শামীম আহমেদ বাদল এ সংবাদ সংম্মেলনের আয়োজন করেন।
আঞ্জুমান আর আলো বলেন, গত ২ জুলাই বুধবার বিএনপি’র কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও সভাপতি প্রার্থী আনোয়ার হোসেন পঞ্চায়েত অসংগঠনিক, মিথ্যা, বানোয়াট ওমনগড়া তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আমাদের সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করেছেন।

তিনি আরো জানান, তার আপণ চাচা মুক্তিযুদ্ধকালীন ৯নং সেক্টরের সুন্দরবন সাব সেক্টরের সেকেন্ড ইন কমান্ড ও বাগেরহাট জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম তালুকদার তাকে পড়াশোনা করার উদ্দেশ্যে শরণখোলায় নিয়ে আসেন। ১৯৮১ সালে খোন্তাকাটা ইউনিয়নের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি খান মতিউর রহমানের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তারপর থেকে তিনি স্বামীর পাশে থেকে বিএনপি রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে অনেক হামলা মামলার শিকার হয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তার বাড়িতে অনেকবার হামলা হয়েছে। তার স্বামী খান মতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে অনেকগুলি নাশকতার মামলা হয়েছে যা অন্য কোন নেতার বিরুদ্ধে হয়নি। স্বৈরাচারী এরশাদ ও আওয়ামী সরকার বিরোধী সকল আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ সহ শরণখোলা উপজেলায় তার পরিবারের চেয়ে বেশি অত্যাচার নির্যাতন নিপীড়নের শিকার কেউ হয় নাই।

আরও পড়ুন  জনগণ আমাদের বাদ দিলে বিরোধী দলে থাকব : মির্জা ফখরুল

তার প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী বেলাল হোসেন মিলন ছাত্রদলের শরণখোলা উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি। ফ্যাসিস সরকারের সময় তার বিরুদ্ধে দশটিরও বেশি মিথ্যা নাশকতার মামলা হয়েছে। ২৮ অক্টোবর ২০২৪ বিএনপির সমাবেশ থেকে ডিবি পুলিশ তাকে নিয়ে আটক করে। ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিকপট পরিবর্তন না হলে হয়তো তাকে জেলেই থাকতে হত। তার বিরুদ্ধেও আনোয়ার হোসেন পঞ্চায়েতের বিস্তার অভিযোগ তুলেন যা মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন।
অন্যদিকে, একই প্যানেলের সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমেদ বাদল একজন কলেজ শিক্ষক। তিনি বিএনপির একজন পরীক্ষিত কর্মী, দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত তাকে নিয়েও তিনি উল্টাপাল্টা যুক্তি উপস্থাপন করেছেন। ###

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঢাকার দায়িত্ব আমাকে দিন : নবীন

“প্রশিক্ষণ দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য, প্রার্থীর যোগ্যতার প্রমানের জন্য নয়” — ক্ষোভ ১৪,৩৮৪ জন শিক্ষকের।

গাবতলীতে ২ লাখ টাকার নিচের গরু বিক্রি বেশি, ‘দাম কম’ বলছেন বিক্রেতারা

নাটোরে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

২৪ ঘণ্টায় পদ্মা সেতুতে ৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা টোল আদায়

কোরবানি হাটে মহিষের গুঁতোয় নিহত ২ জন

ইরানে যাচ্ছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের খসড়া চুক্তির ঘোষণা আসতে পারে

রংপুরে পুকুরে ডুবে দুই কিশোরের মৃত্যু

কামরাঙ্গীচরে ছয় তলা থেকে পড়ে তরুণের মৃত্যু

১০

বাংলাদেশ বর্তমানে কোরবানিযোগ্য পশু উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ

১১

চীন যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

১২

দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত করে চার্জশিট দেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৩

‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে বিইআরসি গণশত্রুতে পরিণত হবে’

১৪

মহাসড়কের ১০ স্পটে ভোগান্তির শঙ্কা

১৫

বৈশ্বিক অস্থিরতার মাঝেও নতুন উচ্চতায় ভারতের কূটনীতি

১৬

সিরিজ সেরা মুশফিক জানালেন কঠোর পরিশ্রমের কথা

১৭

পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে পরিচ্ছন্নতা, নাগরিকতা ও নেতৃত্বের শিক্ষা

১৮

নিলামে আরও ১০০ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

১৯

ইসির বিচার করার হুঁশিয়ারি দিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

২০