বিজয়-পরবর্তী এই আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত থাকা ৫১টি রাজনৈতিক দলসহ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, ‘আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি সংসদ এবং সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।’
দেশ পরিচালনার কঠিন দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা এমন এক সময়ে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছি যখন ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অকার্যকর সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু করতে হচ্ছে। তবে জনগণের শক্তি সঙ্গে থাকলে কোনো বাধা আমাদের রুখতে পারবে না।’
সরকারের দায়বদ্ধতা ও রাষ্ট্র সংস্কারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তারেক রহমান বলেন, নতুন সরকার হবে জনগণের কাছে সম্পূর্ণ জবাবদিহিমূলক এবং ফ্যাসিবাদের হাতে ধ্বংস হওয়া রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় সচল করাই হবে আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য।
এ ছাড়া রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে দেশের সব শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমে জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন তিনি।